self confidence লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
self confidence লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উপায় পর্ব:- ২০

আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উপায় পর্ব:- ২০

 

আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার উপায় পর্ব:-২

০৯) আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজেকে দেখুন এবং নিজেকে হাসি উপহার দিন।

১০) সবসময় মনে করুন আপনি একজন আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তি এবং সেভাবেই সবার সাথে আচরণ করুন।

১১) নিজেকে কখনই পারফেক্ট ভাববেন না। এতে নিজের ভুল সংশোধন করা যায় না।

১২) যখন-ই সুযোগ পান, অন্যকে সাহায্য করুন।

১৩) আত্মবিশ্বাস আছে এমন মানুষের সাথে মিশুন।

১৪) কখনই বিষণ্ণতায় ভুগবেন না।

১৫) দরকার হলে আপনার লাইফস্টাইল বদলে ফেলুন। পোশাক থেকে শুরু করে অভ্যাস সব কিছুতেই পরিবর্তন আনতে পারেন।

১৬) আত্মকেন্দ্রিক হওয়া থেকে বিরত থাকুন। এতে আপনি আত্মবিশ্বাসী হতে পারবেন না।

জীবন একটাই। একে আপনি গড়ে তুলুন যেভাবে আপনি চান। আত্মবিশ্বাসী হওয়া আপনার উপর নির্ভর করে। আত্মবিশ্বাসী হোন আর সফলতায় ঝলসে উঠুন।

সবশেষ কথা নিজেকে আত্মবিশ্বাসী হিসাবে গড়ে তুলতে চান কিনা, তা নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন। যদি চান, তাহলে বদলে ফেলুন নিজেকে… তুলে ধরুন আপনার ভিতরের আত্মবিশ্বাসী আপনাকে। আত্মবিশ্বাসেই সফলতা… সবার সুন্দর জীবন কামনায়…

আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উপায় পর্ব:- ১৯

আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উপায় পর্ব:- ১৯

আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার উপায় পর্ব:-১

 

প্রতিযোগিতার এই যুগে আত্মবিশ্বাসী হওয়ার কোন বিকল্প নেই। কিছু ব্যাপার চর্চা করার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা সম্ভব।

০১) নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন, কী কী কারণে আপনি নিজেকে অন্যের চেয়ে ছোট ভাবেন, লজ্জা পান অথবা অস্বস্তি বোধ করেন। সম্ভব হলে একটি কাগজে লিখে রাখুন। যখন এই সমস্যাগুলোর সমাধান হয়ে যাবে, তখন ঐ কাগজটি ছিঁড়ে ফেলতে পারেন।

০২) আপনার প্রিয়জনদের সাথে আপনার সমস্যাটি শেয়ার করুন এবং তাদের সাহায্য নিন।

০৩) আপনার চারপাশ, অতীত অভিজ্ঞতা সব কিছুই বর্তমানের সাথে মানিয়ে নিন।

০৪) পৃথিবীতে কেউই পারফেক্ট নয়। আপনার ভুল গুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে শুরু করুন।

০৫) সবার জীবনেই কিছু না কিছু সফলতা থাকে।ওগুলো শনাক্ত করুন। তার জন্য নিজেকে গর্বিত ভাবুন, নিজেকে ক্রেডিট দিন। আপনি-ও পারেন, এটা নিজেকে জানিয়ে দিন।

০৬) আপনি যেমন আছেন তেমন-ই ইউনিক। আর সবার চেয়ে আলাদা। এজন্য নিজেকে ধন্যবাদ দিন।

০৭) সবসময় পজিটিভ চিন্তা করুন। পারিপার্শ্বিক অবস্থা আপনাকে অনুমোদন না করলেও ইতিবাচক হোন।

০৮) কেউ আপনাকে কোন কমপ্লিমেন্ট করলে তা হৃদয়ে ধারণ করুন এবং ইতিবাচক সাড়া দিন।

আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উপায় পর্ব:- ১৮

আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উপায় পর্ব:- ১৮

আত্মবিশ্বাসী মানুষেরা যেসব কাজগুলো ভিন্নভাবে করে থাকেন।

পর্ব:-২

১২) চেষ্টা না করে হাল মানতে তাঁরা একেবারেই নারাজ। তাঁরা ততক্ষণ পর্যন্ত চেষ্টা করতে থাকেন যতক্ষণ পর্যন্ত সফল না হন।

১৩) জীবনের সত্য গুলোকে তাঁরা বেশ সহজভাবে গ্রহণ করেন, চোখ বন্ধ করে জীবনযাপনের বোকামি তাঁরা করেন না একদম।

১৪) কোনো বিষয়ে হার মেনে নেয়ার পাত্র তাঁরা নন। তাঁরা চেষ্টা করেন, ব্যর্থ হন, আবার চেষ্টা করেন। কিন্তু হার মেনে বসে থাকেন না। ব্যর্থতাকে তাঁরা ভয় না।

১৫) নিজের কাজের জন্য কারো অনুমতির অপেক্ষা তাঁরা করেন না। যেটা তাঁকে করতে হবে সেটা চট করেই করে ফেলেন।

১৬) তাঁরা পুরনোকে ভেঙেচুড়ে সর্বদা নতুন সৃষ্টিতে মত্ত থাকেন। সৃষ্টি করাই তাঁদের আনন্দ।

১৭) তাঁরা কখনোই হতাশা ও নৈরাশ্যের কথাবার্তা বলেন না। বরং সর্বদাই ইতিবাচক কথাবার্তা ও চিন্তা বিনিময় করেন।

১৮) কোনো ব্যাপারকে তাঁরা মোটেও জটিল করে তোলেন না। বরং জটিল বিষয়কে সহজ করে ফেলার জাদুকরী ক্ষমতা আছে তাঁদের মাঝে।

১৯) তাঁরা কথা দিয়ে কথা রাখেন। তাঁদের বিশ্বস্ততার জুড়ি মেলা ভার।

২০) তাঁরা যা পড়েন বা শোনেন, কখনো সেটা অন্ধভাবে বিশ্বাস করেন না। এক কথায় যাচাই-বাছাই ও নিজস্ব চিন্তাভাবনা ব্যতীত কিছুই তাঁরা বিশ্বাস করেন না।

২১) তাঁরা প্রতিটি কাজ নিখুঁত ভাবে করায় বিশ্বাসী। যেটা করেন খুব ভালোভাবে করেন, নাহলে করেনই না। ততক্ষণ পর্যন্ত কাজটা করতে থাকেন, যতক্ষণ পর্যন্ত সেরা না হয়।

২২) উপার্জনের জন্য কাজ তাঁরা করেন না। বরং কাজটাই তাঁদের বেঁচে থাকার আনন্দ।

২৩) তাঁরা কখনো ঘণ্টা পরিমাপ করে কাজ করেন না।

২৪) তাঁরা জীবনের রেসে সর্বদা প্রথম স্থানের জন্য দৌড়ে থাকেন।

২৫) "পারফেক্ট" নয় এমন কোনো কিছু দিয়ে তাঁদেরকে খুশি করা যায় না।

আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উপায় পর্ব:- ১৭

আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উপায় পর্ব:- ১৭

 

 

আত্মবিশ্বাসী মানুষেরা যেসব কাজগুলো ভিন্নভাবে করে থাকেন।

পর্ব:-১

১) তারা এমন ভাব মোটেও দেখান না যে পৃথিবীটা তাঁর। বরং এভাবে চলেন যেন পৃথিবীটা কার সেটা নিয়ে তাঁর একদম মাথাব্যথা নেই। তাঁরা কেবল নিজের কাজটার দিকেই মনযোগী হয়ে থাকেন।

২) তাঁরা কখনোই বাহানা তৈরি করেন না, নিজের সাফাইও দেন না। কাজ দিয়ে সকল প্রশ্নের জবাবটা দিয়ে দেন।

৩) তাঁরা আত্মবিশ্বাসী হবার অভিনয় করেন না, বরং আত্মবিশ্বাসকে নিজের ব্যক্তিত্বের অংশ হিসাবে লালন করেন। একটা বিব্রতকর পরিস্থিতিকেও আত্মবিশ্বাস দিয়ে সামলে নিতে পারেন। আর এটাই তাঁদের সাফল্য।

৪) তাঁরা মোটেও বেশি কথা বলার মানুষ নন, বেশি কাজ করার মানুষ।

৫) ভয় নামক আবেগটা তাঁরা একেবারেই বোঝেন না। ভয় বস্তুটা তাঁদের মাঝে প্রবেশই করতে পারে না।

৬) কোনো কাজ করতে গিয়ে অস্বস্তিকর অবস্থাকে তাঁরা মোটেও পাত্তা দেন না। কাজের জন্য যে কোনো স্যাক্রিফাইসের বিষয়টিও খুব সহজে করতে পারেন।

৭) লোকে কী ভাবলো তাঁর সম্পর্কে, সেটা নিয়ে তাঁরা মোটেও চিন্তিত নন।

৮) তাঁরা অন্যের জীবন নিয়ে একদম ভাবেন না, কেননা তাঁরা আশা করেন অন্য কেউও তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক গলাবে না।

৯) কোনো সমস্যা সমাধানের আশায় তাঁরা বসে থাকেন না, নিজেই পথ খুঁজে সমাধান করে ফেলেন।

১০) তাঁরা কাউকে প্রথম দর্শনেই বিচার করেন ফেলেন না, আবার নিজেকে কারো সাথে তুলনাও করতে যান না কখনো।

১১) অসম্ভব বলে কোনো কিছু তাঁদের জীবনের তালিকায় নেই। এমন মানুষদের কাছে সবই সম্ভব। নতুন যে কোনো কিছু করতে তাঁরা সর্বদা তৎপর।

আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উপায় পর্ব:- ১৬

আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উপায় পর্ব:- ১৬

 

 

ব্যস্ত থাকুন

(১৬৬) নিজেকে একটি ছকে বেঁধে ফেলুন। জীবনে ব্যস্ততা বাড়ান। কারন অলস ভাবে বসে থাকলেই নানান অপ্রাসঙ্গিক চিন্তা মাথায় ঘোরে ফলশ্রুতিতে আপনি নিজেকে নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করে হতাশ হয়ে পড়েন। নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকুন। সফলতার লক্ষ্যে নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যান। নিজের কাজে ব্যস্ত থাকুন। অন্যের কথায় কান দেয়ার মত সময়ই পাবেন না। আশেপাশের মানুষ আপনার বাহ্যিক সৌন্দর্য নিয়ে কী বলল তা নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই। যে মানুষগুলি বর্তমানে আপনার চেহারা নিয়ে কথা বলছেন ভবিষ্যতে আপনার সফলতার কথা বলবেন।

আত্মবিশ্বাসী হন

(১৬৭) নিজেকে ভালবাসুন। নিজের মনকে পরিপূর্ণভাবে বিকশিত করুন। আত্মবিশ্বাস বাড়ান। অন্যের কথা কান দিয়ে নিজেকে ছোট করবেন না। নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন। মন থেকে সকল হীনমন্যতা ঝেড়ে ফেলে নতুন করে সব কিছু শুরু করুন। আত্মবিশ্বাসী হয়ে নিজের পায়ে দাড়াতে শিখুন। হীনমন্যতা নিয়ে বসে থাকলে কোন কাজেই সফলতা পাবেন না। নিজেকে সফল ব্যক্তিদের কাতারে দাঁড় করাতে শিখুন। যে আপনাকে পছন্দ করবে সে আপনার সব কিছুকেই পছন্দ করবে এইরকম ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করুন।

নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়ান

(১৬৮) যারা একাকী জীবনযাপন করেন তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসহীনতা এবং হীনম্মন্যতা দেখা যায়। নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়ান। আপনি আর দশজন মানুষ থেকে আলাদা। আপনার জন্য নিশ্চয়ই ভালো কিছু রয়েছে। সে কারণেই আজ আপনি একা আছেন। আপনি একা এই কারণটাকে নিজের হাতিয়ার হিসেবে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠুন।

ক্যারিয়ার সচেতন হোন

(১৬৯) নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তাভাবনা করুন। যখন দেখবেন আপনি একজন সফল মানুষ তখন আপনার নিজেরই একাকিত্বের যন্ত্রণাকে আর যন্ত্রণা মনে হবে না। বরং অনেক বেশি সুখী জীবনযাপন করতে পারবেন।

সময় পেলেই ঘুরতে চলে যান

(১৭০) একাকী জীবনটাই ঘুরতে যাওয়ার জন্য সবচেয়ে সঠিক সময়। দূরে কোথাও না গেলেও একটি রেস্টুরেন্টে গিয়ে পছন্দের খাবার খান, কোথাও বেরোতে চলে যান একটি ক্যামেরা নিয়ে, যা মনে চায় তাই করুন।কারণ একাকী জীবনের এটাই তো বড় সুবিধা।

নিজেকে ভালোবাসুন

(১৭১) সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে নিজেকে ভালোবাসা। আপনি যদি নিজেকে ভালোবাসতে শেখেন তাহলে নিজেকে সম্পূর্ণ একজন হিসেবে দেখতে পারবেন। আপনার কাছে মনে হবে আপনাকে পূরণ করার জন্য অন্য কারও প্রয়োজন নেই। আপনি নিজে নিজেই খুশি থাকতে পারবেন তখন।

নিজেকে নিজে সাহস দিনঃ

(১৭২) কি, কথাটা শুনেই হাসি পাচ্ছে তো? আপনারা হয়তো জানেন না, কিন্তু নিজের সাথে আপনি যেমন ব্যবহার করবেন, সেটাও আপনার মন-মানসিকতার উপরে প্রভাব ফেলবে। তাই আপনি যতটুকুই কাজ করে থাকেন না কেন, নিজেকে সর্বদা বাহবা দিবেন। এতে আপনার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে।

না জানলে প্রশ্ন করুনঃ

(১৭৩) প্রশ্ন করতে ভয় পাবেন না। কোনো বড়সড় ভুল করার থেকে ভালো যে আপনি আগেই জেনে নিন কোন কাজটা কিভাবে করতে হবে। সব কথা পরিষ্কার করে তবেই কোমর বেঁধে কাজে নামুন। এতে করে আপনার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে।

নিজেকে সর্বদা চ্যালেঞ্জ করুনঃ

(১৭৪) আপনি যেই কাজ করে অভ্যস্ত, চেষ্টা করুন ধীরে ধীরে এক ধাপ করে এগিয়ে যেতে। নিজেকে আরেকটু কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলুন। তারপর যখন আপনি সফলভাবে সেই পরিস্থিতি অতিক্রম করবেন, তখন আপনার নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস অনেকগুণ বেড়ে যাবে।

আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উপায় পর্ব:- ১৫

আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উপায় পর্ব:- ১৫

 

 

অফিশিয়াল পোশাক পরিধান করা

(১৫৫) মানতে কষ্টকর হলেও এটা সত্যি যে, সাধারণ পোশাকের চাইতে অফিশিয়াল বা ফরমাল পোশাক, যেমন- কোট, টাই আর শু-তে মানুষ অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসীভাবে ব্যবহার করে। কারণ, এক্ষেত্রে পোশাক মানুষের চিন্তাকে প্রভাবিত করে। অন্যদের সামনে নিজেকে সপ্রতিভ করে তুলতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা যায় যে, অন্যদের চাইতে ফরমাল পোশাকে ইন্টারভিউ দিতে আসা প্রার্থীরা বেশি বিস্তৃতভাবে ভাবতে ও পরিপক্কভাবে উত্তর দিতে সক্ষম হয়।

সুগন্ধী ব্যবহার করা

(১৫৬) অনেকটা পোশাকের মতোই সুগন্ধীও মানুষকে অনেক বেশি নিজের সম্পর্কে ভালো ধারণা দিতে সাহায্য করে। ফলে সুগন্ধীযুক্ত স্প্রে ব্যবহার করুন। এতে করে নিজেকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী লাগবে আপনার। সেই সঙ্গে অন্যদের সামনেও আরো বেশি শক্তিশালী হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবেন আপনি নিজেকে।

নিজস্ব বিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরা

(১৫৭) ব অস্বস্তি লাগছে? হাত-পা ঘেমে যাচ্ছে? মাথা কাজ করছে না? বৈজ্ঞানিক বিভিন্ন পন্থা সম্পর্কে কথা বলা হলেও খুব অদ্ভূতভাবে আপনি এর একেবারে উল্টো ব্যাপারটিকে দিয়েও ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনার ভেতরের হারিয়ে যাওয়া শক্তিকে। নিজের ক্ষমতা সম্পর্কে নিজস্ব ধারণা শক্তিশালী করে তুলতে নিজস্ব বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করুন। হতে পারে সেটা একটা লাকি চার্ম কিংবা সামান্য কোনো শারীরিক কসরত। গবেষণায় দেখা যায় যে, লাকি চার্ম নিয়ে ইন্টারভিউ কক্ষে প্রবেশ করা প্রার্থীরা অন্যদের চাইতে বেশি স্মৃতিশক্তির অধিকারী ছিলেন।
নিজেকে অন্যদের সামনে ভালোভাবে, সঠিকভাবে এবং আরো একটু শক্তিশালীভাবে তুলে ধরতে কে না চায়? কিন্তু তবুও সামান্য একটু অস্বস্তি শেষ সময়ে এসে গোলমাল করে দিয়ে যায় আমাদের সব সাজিয়ে রাখা ভাবনাগুলোকে। তাই এই উপায়গুলোকে দেখে নিন আর নিজেকে গড়ে তুলুন আত্মবিশ্বাসী।

সামাজিকতা বাড়িয়ে ফেলুন

(১৫৮) আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তোলার জন্য সামাজিকতা বাড়িয়ে তোলা প্রয়োজন। সামাজিক অনুষ্ঠান গুলোতে নিয়মিত যাওয়ার চেষ্টা করুন। নতুন নতুন মানুষজনের সাথে নিজেই পরিচিত হয়ে নিন। নিজেকে প্রকাশ করুন সমাজের সব ধরণের মানুষের সামনে। তাহলে নিজের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে অনেক খানি।

নিজেকে গুছিয়ে রাখুন

(১৫৯) আত্মবিশ্বাস বাড়াতে হলে নিজেকে গুছিয়ে রাখা জরুরি। নিজের পরিচ্ছন্নতার দিকে খেয়াল রাখুন সব সময়। ভালো সুগন্ধি ব্যবহার করুন। যেখানেই যাবেন খেয়াল রাখুন যেন আপনার মুখ থেকে দুর্গন্ধ না আসে। এছাড়াও পরিষ্কার ও রুচিশীল পোশাক পরুন সবসময়।

সাধ্যমত সমাজ সেবা করুন

(১৬০) আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তোলার আরেকটি হাতিয়ার হলো সমাজ সেবা করা। নিজের সাধ্যমত সমাজের অবহেলিত মানুষদেরকে সাহায্য সহযোগীতা করলে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে বহুগুণে। সেই সাথে আত্মতৃপ্তিও পাবেন।

নেতিবাচক মানুষ থেকে দূরে থাকুন

(১৬১) আত্মবিশ্বাস বাড়িতে তুলতে হলে নেতিবাচক মানুষদের সঙ্গ ত্যাগ করুন। যেসব মানুষ পদে পদে আপনার ভুল ধরে, আপনাকে নিরুৎসাহিত করে তাদের থেকে যত দূরে থাকা যায় ততই আপনার জন্য ভালো। কারণ এধরনের মানুষজন আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়।

নিজেকে খুশি রাখার চেষ্টা করুন

(১৬২) নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে হলে নিজেকে খুশি রাখার চেষ্টা করুন। আমরা অনেকেই অন্যকে খুশি রাখার ব্যস্ততায় নিজের খুশির বিষয়গুলোকে ভুলে যাই। অন্যকে খুশি রাখার চেষ্টা না করে বরং নিজের জন্য যেটা ভালো সেটাই করুন। নিজের মনের ইচ্ছার গুরুত্ব দিন সবসময়। তাহলে আপনার আত্মবিশ্বাস অনায়েসেই বেড়ে যাবে অনেকখানি।

উদ্দীপনামূলক গান শোনা

(১৬৩) উদ্দীপনামূলক গান বলতে বোঝানো হচ্ছে, প্রচণ্ড ঝাঁঝালো আর উত্তেজনাকর সুর এবং শক্তি ও প্রেরণাদায়ক কথার গান। সামনে কোনো ইন্টারভিউ বা কাজ থাকলে মনে মনে দূর্বল হয়ে পড়াটাই স্বাভাবিক। তাই নিজের ভেতরে জোর ফিরিয়ে আনতে শুনুন এমনই কিছু গান। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, যেসব শিক্ষার্থী এমন উদ্দীপনামূলক গান শুনে থাকেন, অন্যদের চাইতে অনেক বেশি সপ্রতিভ আচরণ করে থাকেন তারা।

সৃজনশীল কাজে মনোনিবেশ করুন

(১৬৪) গঠনমূলক কাজে যোগ দিন। যেসব কাজে আপনার দক্ষতা আছে সেসব কাজ করুন। গান, নাচ, ছবি আঁকা, বই লেখা ইত্যাদি কাজে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারেন। নিজের পরিচয় গঠন করুন। মনে রাখবেন, মানুষ চেহারা দিয়ে মানুষকে মনে রাখে না। বরং তার কাজে মনে রাখে। সুন্দরের পিছনে লুকিয়ে থাকা ধ্বংসাত্মক কাজের চেয়ে, অসুন্দরের ভেতরে থাকা গঠনমূলক কাজের মূল্য বেশি। আপনি আপনার চেহারা নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগে আপনার ভেতরকার সৃজনশীল ও উন্নত মনকে সব কিছু থেকে গুতিয়ে রাখবেন না। নিজেকে সফল মানুষ হিসেবে পরিচিতি পেতে দেখলে আপনা আপনিই আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

নিজেকে সময় দিন

(১৬৫) নিজেকে বোঝার সময় দিন। নিজেকে কিভাবে সফলতা উপহার দিতে পারবেন সে কথা ভাবুন। সব সময় নিজেকে অন্যের সাথে তুলনা করে হীনমন্যতায় পরে থাকবেন না। আপনি নিজে যেমন সমাজে ঠিক তেমন ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করুন। প্রথমে নিজেকে সম্মান করতে শিখুন। নিজের ব্যক্তিত্বকে ভালবাসতে শিখুন। কারো প্রশংসা কুড়ানোর জন্য তার কথা মত নিজেকে তৈরি করবেন না। আপনার ভেতরের আলোকিত সৌন্দর্য কাউকে বোঝাতে যাবার কোন প্রয়োজন নেই। মনে রাখবেন, যে আপনাকে বোঝে তাকে আপনি কী তা নতুন করে বোঝানোর প্রয়োজন নেই, আর যে আপনাকে বোঝে না তাকে বোঝাতে যাওয়ারও কোন প্রয়োজনীয়তা নেই। তাই এইসবে সময় নষ্ট না করে নিজেকে সময় দিন।

আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উপায় পর্ব:- ১৩

আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উপায় পর্ব:- ১৩

 

 

তুলনা‬ করা বন্ধ করুন

(১৩৩) আপনার কি নেই সেটা ভাবার আগে ভাবুন আপনার কি আছে। অন্যের জীবনের সাথে নিজের জীবনকে তুলনা করবেন না। অন্যের কি আছে, আপনার কি নেই- এটা নিয়ে ভাবা বন্ধ করাই আত্মসন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ভালো উপায়। প্রথমেই এই অভ্যাস রপ্ত করতে না পারলে নিয়মিত প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে অভ্যাস হয়ে যাবে।

বর্তমান‬ কে উপভোগ করুন

(১৩৪) বেশিরভাগ মানুষই অতীতে কি হয়েছে কিংবা ভবিষ্যতে কি হতে পারে এটা নিয়ে ভেবে ভেবে সুন্দর বর্তমানটাকে ভুলে যায়। আমরা চাইলেই আমাদের অতীত বদলাতে পারবো না। আবার ভবিষ্যতে কি হবে তাও আমরা জানিনা। তাই বুদ্ধিমানের কাজ হলো বর্তমানকে মন থেকে উপভোগ করা। প্রতিদিন একবার করে নিজেকে সুখী ভাবুন। ধীরে ধীরে মন থেকেই নিজেকে সুখী ও পরিপূর্ন একজন মানুষ মনে হবে।

আনন্দ‬ খুঁজে বের করুন

(১৩৫) প্রতিদিনই ছোট ছোট বিষয়ে আনন্দ নেয়ার চেষ্টা করুন। নিজের পরিবারের কাছ থেকে, বন্ধুদের কাছ থেকে এমন কি বাগানে ফোটা ছোট্ট একটি গোলাপ ফুল থেকে আনন্দ খুঁজে নিন। নিজের যা আছে তাতেই আনন্দ খুঁজে নিতে পারলে অন্যের কি আছে সেটা নিয়ে ভাবার সময়ই পাবেন না। ফলে মানসিক সন্তুষ্টি অর্জন হবে এবং আপনি নিজেকে স্বয়ংসম্পূর্ন ভাবা শুরু করবেন মনের অজান্তেই।

আত্মবিশ্বাস‬ বাড়ান

(১৩৬) আত্মসন্তুষ্টি অর্জনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো আত্মবিশ্বাস। আপনার যদি নিজের উপর এবং নিজের জীবনের উপর আত্মবিশ্বাস না থাকে তাহলে অন্যের সুখ বা সম্পদ দেখে আপনার মনে হিংসা জন্মাতে পারে। কারো তুচ্ছ-তাছিল্যেও মন খারাপ হয়ে যেতে পারে যে কোনো সময়ে। আত্মবিশ্বাসের অভাব থাকলে নিজের না পাওয়ার গ্লানি পেয়ে বসতে পারে আপনাকে। তাই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলুন। নিজের মনকে নিজেই বোঝান যে আপনার যা আছে তাই নিয়ে আপনি অনেক সুখী।

মনোযোগী হওয়ার চর্চা করা :

(১৩৭) আমরা সাধারণত প্রতিদিনকার কাজ করি নিয়ম বাধা ছকে ,কি পরবো ,কি খাব। কি যাব সব কাজ গুলোই আমাদের মনে আগে ঠিক করে রাখা এবং আমরা সে ভাবে করে যাই আর কিছু ভাবি না। কিন্তু একটু ভেবে দেখেনতো এতে কি আপনে একঘেয়ে একটা জীবন যাপন করছেন না? আপনার কি মনে হয় যে আপনি নাস্তার টেবিলে কেন ভাত খাচ্ছেন কেন রুটি ডিম খাচ্ছেন না? আসলে আমি বলতে চাই আমাদের জীবনটা যদি একটু বৈচিত্রময় না হয় সবকিছু একটা পর্যায় বিরক্তিকর হয়ে যাবে তাই নিজের দিকে একটু মন দিন, এ মন দিয়ার চর্চাটা করুন দেখবেন জীবনটা এত সাদা মাঠা নয় যতটা আপনি ভাবছেন।

নিজের সাথে কথা বলা:

(১৩৮) বেশিভাগ মানুষ নিজেকে যখন আয়নায় দেখে তো কি দেখে ভাবুনতো? সে দেখে যে তার নাকটা আরো সরু হলে তাকে চমৎকার দেখাত ,ইশ আর একটু যদি লম্বা হতাম ! আমার যদি লম্বা চুল হত ! আমার যদি তার মতো মাসেল থাকত ! আরো কত কি। কিন্তু আমরা কি এ ভাবে ভাবি একবারো যে আর কারো থেকে আমি নিজে কতটা সুন্দর অথবা লম্বা অথবা ভালো আছি !
নাহ এ গুলো কিন্তু আমরা সাধারণত ভাবি না , এ না ভাবাটাই আমাদের সম্যসা। এ না ভাবাটাই আমাদের আত্ম তৃপ্তি দেয় না। তাহলে আজ থেকে আয়নার সামনে দাঁড়ান নিজের ক্ষুত বের করতে না বরং আপনার কি কি গুন আছে সেটা বের করতে , নিজেকে বলুন আপনি আর দশ জনের থেকে কত ভালো আছেন। এ বলাটা কিন্তু আপনার ইচ্ছা শক্তিকে আরো বাড়িয়ে দিবে ,নিজের প্রতি আত্ম বিশ্বাস আরো প্রবল হবে ,জীবনের প্রতি একটি স্পষ্ট ধারণা দিবে।

অনুপ্ররেণা খোঁজা:

(১৩৯) জীবনে চলার পথে কিছু বা কেউ আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায় থাকে এর মুল্য দিয়া কঠিন কিন্তু এ প্রেরণা টুকু না পেলে অনেক সময় আমাদের চলার পথে থমকে যেতে হয়। এ প্রেরণাটি যে কারো জন্য তার ইচ্ছা শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। আপনার উচিত হবে এমন কিছু করা বা এমন কারো কথা শুনা বা এমন কারো সাথে মেলা মেশা করা যে আপনাকে প্রেরণা জোগায়।

লক্ষ্য অর্জনের পথকে ভাগ করে নেয়া :

(১৪০) ছোটবেলায় অনেকেরই বিভিন্ন কিছু হবার শখ থাকে কিন্তু আমরা সবাই কি সেটাকে অর্জন করতে পারি? অনেকেই কিন্তু পারে। তার কারণ একটাই সে তার লক্ষ্যকে স্থির রাখে এবং তাকে অর্জন করার জন্য যা করতে হবে সেই কাজটিকে ভাগ করে নেয়। আপনি নিজে শুধু পারেন নিজেকে পরিবর্তন করতে। কেউ চলার পথে আপনার অনুপ্রেরণা হতে পারে কিন্তু আগবাড়িয়ে কাজটি করতে আপনাকে হবে। আর যখন দেখবেন কাজটি করতে পেরেছেন আপনার আত্মবিশ্বাস, ইচ্ছা শক্তি অনেক গুন বেড়ে যাবে। হতাশ হবেন না, যে কোনো কাজ অনেক কঠিন হতেই পারে কিন্তু অসম্ভব নয়।

স্বপ্নকে সত্যি করার প্রচেষ্টা

(১৪১) নিজের স্বপ্নকে সবসময় সত্যি মনে করতে হবে। কোন কাজের ফলে আমি কি পাব তা সব সময় আপনার চোখের সামনে কল্পনা করতে হবে। এতে করে আপনার স্বপ্নই আপনাকে প্রেরণা যোগাবে কাজটি করতে। তখন যে কোন কাজ করে আপনি শান্তি পাবেন। কাজে করার সময় কোন চাপ মনে হবে না। একজন সুখী মানুষ হতে হলে চাপ ছাড়া কাজে নিমগ্ন থাকতে হবে যা আপনাকে এনে দেবে সাফল্য।

চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করুন

(১৪২) ‘সমস্যা’ শব্দটিকে ‘চ্যালেঞ্জ’-এ পরিবর্তন করুন। তখন দেখেবেন আপনার সামনে অসংখ্য সুযোগের দরজা খুলে গেছে। এই ছোট একটি বিবর্তনের ফলে আপনি আপনার মেধা ও দক্ষতা প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন। সেই কাজের বাধা না হয়ে সমাধানের একটি অংশ হয়ে উঠবেন আপনি। সত্যিকারের সুখী মানুষ বিপদের সময় অষ্ট্রিচ পাখির মত বালিতে নিজের মাথা গুঁজে রাখে না। তারা জয়ের জন্য যুদ্ধ করতে সদা প্রস্তুত থাকে।

নিজের পর্যালোচনা করুন

(১৪৩) সবকিছুরই ভালো ও মন্দ উভয় দিক রয়েছে। মানুষেরও খারাপ ও ভালো দিক রয়েছে। সুখী মানুষ তার নিজের ইতিবাচক দিক সম্পর্কে সচেতন থাকেনে। একজন মানুষ জানেন কোন কাজে তিনি দক্ষ আর কিসে অদক্ষ। তাই সবসময় নিজের সোয়াট (SWOT)করা উচিত। এতে আপনার সামর্থ্য(স্ট্রেন্থ),দুর্বলতা(উইকনেস),সুযোগ(অপরচুনিটি),হুমকি (থ্রেটস)ইত্যাদি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারনা হবে, ফলে আপনার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে।

আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উপায় পর্ব:-12

আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উপায় পর্ব:-12

 

 

আমি যেমন আছি বেশ ভালো আছি

(১২২) নিজের অবস্থানকে স্বীকার করে নেয়ার চেয়ে বড় উপহার আপনি নিজেকে দিতে পারবেন না। আপনি যখন নিজেকে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকবেন তখন আপনার মনে আসবে অনাবিল শান্তি। যদি আপনি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বলতে থাকেন ‘আমি আর একটু সুন্দর হলাম না কেন?’, কিংবা নিজের পকেটে হাত দিয়ে মনে মনে ভাবেন ‘আমি একটু বড়লোক হলাম না কেন?’- তাহলে আপনি জীবনে কখনই সুখী হতে পারবেন না। নিজের অবস্থানে সন্তুষ্ট থেকে নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যান। সুখী হবেন।

আমি অনেক কিছুই করতে পারি

(১২৩) আমাকে দিয়ে কিছু হবে না! এই ধরণের নেতিবাচক কথা সব চাইতে ক্ষতিকর। কারণ এই কথায় কোনো কাজ করার ইচ্ছা একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়। তখন ক্ষমতা থাকলেও কাজটি করা সম্ভব হয় না। তাই নিজেকে প্রতিদিন বলুন ‘আমি অনেক কিছুই করতে পারি’ বা ‘আমাকে দিয়ে অনেক কাজ করা সম্ভব’! ফিরে পাবেন কাজ করার ইচ্ছা। জীবনে আসবে সফলতা।

আজকের দিনটি সব থেকে ভালো দিন

(১২৪) দিনের শুরুতে কোনো কারনে আশাহত কিংবা রাগ উঠলে যে কথাটি সবার আগে মুখ থেকে বের হয় তা হলো ‘আজকের দিনটাই খারাপ’! কিন্তু দিনের শুরুতেই আপনি এই ধরণের কথা নিজেকে বললে আপনার মন ভেঙে যায় নিজের অজান্তেই। তখন দিনটিতে ভালো কিছু ঘটার থাকলেও আপনার চোখ এড়িয়ে যায় কিংবা ভালো কিছু ঘটলেও আপনি তা ভালো চোখে দেখেন না। তাই সকালে উঠে প্রথমেই নিজ মনে বলুন ‘আজকের দিনটি সব থেকে ভালো দিন’! বাকিটা আপনাআপনিই ভালো যাবে।

নিজেকে‬ দোষারোপ করা বন্ধ করুন

(১২৫) মনে রাখবেন, আপনি আপনার সাধ্যের অতিরিক্ত কখনই কিছু করতে পারবেন না। পরিস্থিতি নাগালের বাইরে চলে গেলে নিজেকে দোষ দিবেন না বরং ভাবুন আপনার পরবর্তী পদক্ষেপ কি হতে পারে

চাপ‬ মুক্ত থাকুন

(১২৬) বের করুন কোন জিনিসটা আপনাকে চাপে ফেলছে। আপনি কি খুব বেশি কাজ করছেন। নিজের কাজকে বোঝা হতে দিবেন না। কার্যতালিকায় এমন কিছু কাজ অন্তর্ভূক্ত করুন যা আপনাকে আনন্দ দিবে।

পুরানো‬ বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করুন

(১২৭) এমন কোন বন্ধুকে ফোন করুন যার সাথে অনেকদিন আপনার কোন যোগাযোগ হয়নি। পুরানো সম্পর্কে নতুন করে ফিরিয়ে আনলে আপনার ভিতর সামাজিক বন্ধনের চেতনা গড়ে উঠবে। নিজেকে সকলের সাথে যুক্ত করলে আপনার মনও সতেজ হবে এবং আত্মবিশ্বাসও বাড়বে।

আপনজনদের‬ সাথে সময় কাটান

(১২৮) কাছের মানুষদের সাথে কিছু ভাল সময় কাটান। যা জীবনের কঠিন সময়েও আপনি মনে করতে পারবেন এবং সামনে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দিবে।এটা আপনার ভিতরে আত্মসম্মান গড়ে তুলবে।

ছোট‬ এবং সহজ লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

(১২৯) কাজের এমন মানদন্ড- বের করুন যা আপনি অর্জন করতে পারবেন। লক্ষ্য অর্জনের পর একটু থামুন এবং ভেবে দেখুন আপনি কতটুকু অর্জন করতে পারলেন।নিজের সাফল্য শনাক্ত করতে পারলে তা আপনার মনোভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

শরীরচর্চা‬ করুন

(১৩০) নিয়মিত কিছু শরীরচর্চা আপনাকে চিন্তামুক্ত এবং শরীর গঠনেও সাহায্য করবে। কিছু ভাল ব্যায়াম আপনাকে চাপমুক্ত করবে এবং সতেজ করবে। এসব আপনার আত্মবিশ্বাস গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

মনের‬ খোরাক যোগান

(১৩১) কিছু ভাল বই পড়ুন বা ভাল গান শুনুন যা আপনার চিন্তাজগৎকে আরও সমৃদ্ধ করবে। নিজেকে শিল্পচর্চায় ব্যস্ত রাখুন যা আপনাকে পূর্ণতা এনে দিবে।এতে করে আপনার মন ভালো থাকবে যা আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর প্রধান সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।

মন‬ পরিষ্কার করে ফেলুন

(১৩২) এতো দিন যত ঈর্ষা করেছেন, অন্যের সাথে নিজের যত তুলনা করেছেন, সব মন থেকে ধুয়ে মুছে ফেলুন। একদিন সকালে হঠাৎ করেই ভাবা শুরু করে দিন আপনি পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষদের মধ্যে একজন। একবার নিজেকে সুখী ও সম্পূর্ণ ভাবা শুরু করলে এরপর মনে কোনো নেতিবাচক চিন্তা ঢুকতে দিবেন না। প্রথমে একটু কষ্ট হলেও ধীরে ধীরে এই অভ্যাসটা গড়ে উঠবে যা আত্মসন্তুষ্টি অর্জনের জন্য অত্যন্ত জরুরী।