আমি কারও সঙ্গে মিশতে পারি না, নারী-পুরুষ কারও চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারি না’


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক মেহতাব খানম। তিনি আপনার মানসিক বিভিন্ন সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান দেবেন। অল্প কথায় আপনার সমস্যা তুলে ধরুন।—বি. স.



আমি স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। আমার প্রথম সমস্যা হলো আমি কারও সঙ্গে মিশতে পারি না, নারী-পুরুষ কারও চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারি না। ছোটবেলা থেকে আমি এ রকম, এমনকি সহপাঠীদের সঙ্গে কখনো মন খুলে কথা বলতে পারি না। কোনো বিষয় সহজে মানতে পারি না। আমার শৈশব থেকে এখন পর্যন্ত শুধু একজন বান্ধবী আছে, যার কাছে আমি সব কথা বলি। কিন্তু কিছু কথা তাকেও বলতে পারি না। আমি প্রায় সব বিষয় নিয়েই ভয় পাই। মাঝেমধ্যে খুব তুচ্ছ বিষয় নিয়ে খুব বেশি দুশ্চিন্তা করি। ওই বান্ধবী ও আমার পরিবার ছাড়া অন্য কারও সামনে বসে কথা বলতে পারি না, খেতে পারি না।



আমার এক ভালো বন্ধু আছে, সে আমাকে অনেক ভালোবাসে। আমি তার সঙ্গে বসে কথা বলতে পারি না। সে আমাকে যথাসাধ্য চেষ্টা করছে এ সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য। নিজেকে ছোট মনে হয়, কোথাও একা যেতে পারি না। আমার কোনো কিছুই পছন্দ হয় না। খুব কষ্ট পেলেও কাউকে না বলে একা একা সহ্য করি। আমি চাই, যে আমার জীবনসঙ্গী হবে, তার সঙ্গে সব বিষয় ভাগ করব। মনে হয় এখন কোনো বন্ধুর সঙ্গে ভাগ করলে পরে যখন এসব স্মৃতি মনে পড়বে, তখন আরও বেশি কষ্ট হবে। মাঝেমধ্যে মনে হয়, আমাকে দিয়ে কিছু হবে না। আমার বন্ধুটা আমার সবকিছু জানতে চায়, কিন্তু বলি না। অনেক সময় বলতে চেষ্টা করি, পারি না। এ জন্য পরে খারাপও লাগে, একা একা নীরবে কাঁদি।
আমার দ্বিতীয় সমস্যা হলো যৌন বিষয়ে ভয়, যা সাধারণত কাউকে বলতে পারি না। এক বছর আগে আমাকে সেই বন্ধু বিয়ের প্রস্তাব দেয়। আমার পরিবার রাজি হলে বিয়েটা হবে। তার পর থেকে বিয়ে নিয়েও ভয় হয়। যৌন বিষয়–আশয়গুলো আমার কাছে নোংরা কাজ মনে হয়। এটা নিয়ে বিভিন্ন আজেবাজে চিন্তা হয়। বিয়ে করতে ইচ্ছা করে না। বিষয়টা যখন মনে হয়, তখন লজ্জা ও অনেক ভয় হয়।
আমার বন্ধু আমাকে মানসিকভাবে অনেক সাহায্য করে। কিন্তু আমি মনের কথা বলতে পারি না, তার পরও সে আমাকে অনুপ্রাণিত করার জন্য নিজে কষ্ট সহ্য করে। সে খুব ভালো ছেলে। তার মতো মানুষকে যেকোনো মেয়ে দ্বিতীয়বার না ভেবে ভালোবাসবে। কিন্তু আমি বিভিন্ন দুশ্চিন্তার কারণে পারি না। ছোট থেকে এমন এক পরিবেশে বড় হয়েছি, যেখানে শুধু হতাশার কথা শুনেছি। আমার মা আমাকে সব সময় অন্য মেয়েদের সঙ্গে তুলনা করেন। তাই মাঝেমধ্যে প্রচণ্ড রেগে যাই। আমি চাই পড়াশোনা শেষে ভালো চাকরি করব। ইচ্ছা আছে মাস্টার্স করব, কিন্তু মা চাইছেন পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরিও করি। আমার বন্ধুও আমাকে পড়াশোনা শেষ করতে বলে। ইদানীং আবার তার সঙ্গে কথা না বললে ভালো লাগে না। আমাকে এমন কিছু পরামর্শ দিন, যাতে আমি অনেক উপকৃত হই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
পরামর্শ
জীবনে চলার পথে অনেক দক্ষতার প্রয়োজন হয়। তার মধ্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি দক্ষতা হচ্ছে মানুষের সঙ্গে ভাবের আদান-প্রদানের দক্ষতা। এটি শৈশব থেকেই তৈরি হতে থাকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিজেকে প্রকাশ করার মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে বড়দের দায়িত্ব হচ্ছে শিশুদের আবেগ, চাহিদা, মনোভাব, চিন্তাধারাগুলো বুঝে তাকে সুন্দরভাবে নিজেকে প্রকাশ করার সুযোগ দেওয়া। শুধু তা–ই নয়, তার ঔত্সুক্য, আগ্রহগুলো খেয়াল করে ধৈর্য ধরে ওর প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া এবং তাকে গুরুত্ব দেওয়া। এ ছাড়া সব সময় ছোট ছোট অর্জনের জন্য উত্সাহ দেওয়া ও প্রশংসা করা। তুমি যে বাইরের কারও চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে পারছ না বা কারও সামনে বসে খেতে পারছ না, সেটির জন্য সম্পূর্ণ দায়িত্ব তোমার নয়। কারণ, আমাদের দেশের পারিবারিক চর্চায় প্রথমত এই দক্ষতাগুলোর বিষয়ে না জানার কারণে সেগুলো শেখানো হয় না এবং দ্বিতীয়ত মেয়েদের বাইরের পৃথিবীতে পরিচিত হওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট বাধা দেওয়া হয়। তবে তুমি যেহেতু এখন এ ব্যাপারে সচেতন হয়েছ, আশা করা যায়, উদ্যোগ নিয়ে এই দক্ষতা অর্জন করতে পারবে।
এখন থেকে যতই লজ্জা লাগুক, তুমি চেষ্টা করবে অন্তত প্রথমে মানুষের চোখে চোখ রেখে কথা বলতে এবং গুছিয়ে কথাগুলো না বলতে পারলেও নিজেকে এর জন্য মোটেও ছোট মনে করবে না। তোমার মা হয়তো বুঝতে পারেননি যে অন্যদের সঙ্গে সব সময় তুলনা করলে সন্তানদের আত্মবিশ্বাস একেবারে হারিয়ে যায়, তাই তিনি ভুল করেছেন। তুমি তো এখন প্রাপ্তবয়স্ক, নিজেকে কখনো কারও সঙ্গে একবারের জন্যও তুলনা কোরো না। প্রথম দিকে অপরিচিত কারও সঙ্গে সরাসরি চোখে চোখ রেখে কথা বলতে অসুবিধা হলেও চর্চা করতে করতে নিজেকে দক্ষ করে তোলা সম্ভব।
যৌন বিষয়ে তোমার ভীতির কারণ হচ্ছে, এটি জীবনের একটি বাস্তবতা হলেও এটিকে সুস্থ ও বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মানুষের কাছে উপস্থাপন করা হয় না। বিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তকে উপযুক্ত বয়সে শেখানোর জন্য কিছু বিষয় সংযোজিত হলেও শিক্ষকদের এটি পড়ানোর জন্য প্রশিক্ষিত করা হয়নি। একই সঙ্গে অভিভাবকদের মধ্যেও সচেতনতা গড়ে তোলা হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে কানাঘুষা ও হাসাহাসি করা হয় বলে সমাজের একটি বড় অংশের কাছে এটি একটি নোংরা ও অবাঞ্ছিত বিষয় হিসেবেই রয়ে গেছে। তুমি এখন মাত্র দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছ। এখনই তো বিয়ের কথা ভাবার প্রয়োজন নেই। বিয়ের আগে অবশ্যই মাস্টার্স শেষ করবে, সেটি মাথায় রেখো। পড়াশোনার পাশাপাশি তুমি খণ্ডকালীন কোনো চাকরি করতে পারলে সামাজিক দক্ষতা বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ছোটবেলা থেকে হতাশার যে কথাগুলো শুনেছ, তা একটি নোটবুকে লিপিবদ্ধ করে, তার পাশে প্রাপ্তবয়স্ক ‘তুমি’ উত্সাহব্যঞ্জক কী বলতে পারো, তা লিখে প্রতিদিন নিজেকে সেগুলো বলবে, কেমন?

বাংলাদেশের-আঞ্চলিক-ভাষার

বাংলাদেশের-আঞ্চলিক-ভাষার

 https://grontho.com/books/Ancholic_Bhasar_Ovidhan.pdf


ছলনাময়ী নারীদের চেনার উপায়

ছলনাময়ী নারীদের চেনার উপায়

পুরুষের একটা দোষ আছে। কোনও নারী যদি তার দিকে চেয়ে একচিলতে হাসে, ধরেই নেয় কাজ হয়ে গেছে। খুশি তো ফসি। মেয়ে ইমপ্রেসড্! সহজেই রাজি হয়ে যাবে। এক-কে একশো ভেবে ফেলে সেই নির্বোধ পুরুষ। তাই নারীকে একপ্রকার বাধ্য হয়েই অতিমাত্রায় ব্যক্তিত্ব ধরে রাখতে হয় পুরুষের সামনে। ইচ্ছে না থাকলেও জোর করে দুর্ব্যবহার করতে হয় অনেক সময়। কোনও পুরুষ যেচে আলাপ করতে এলে, এমন অ্যাটি দেখায়, যেন বাকিংহাম প্যালেসের রানি! মুখ ঘুরিয়ে চলে যায়। খারাপ কথা বলে দেয়। হাবেভাবে বোঝায়, “তোমাকে আমার চাই না”।

পুরুষ পড়ে ধন্দে। মনে করে নারী খুব জটিল প্রাণী। ...এবং জেনে রাখুন, এই শ্রেণির নারীর সংখ্যাই আমাদের সমাজে বেশি। ঘরে-বাইরে দীর্ঘদিনের ট্রেনিংয়ের ফলেই এই প্রকার নারীর আবির্ভাব।

আরও একটা নির্বোধ টাইপ আছে, যার কোনও ইগোফিগো নেই। যে নারী কোনও ছকে চলে না, তাকে নিয়েই যত জ্বালা। সে হাসলে পুরুষ ভেবে নেয় অনেককিছু। খেতে দিলে, শুতে চায়। এই নারী নিতান্ত সরল টাইপ। এই টাইপটাকে মানুষ সহজেই ভুল বোঝে। সে যদি ভালো মনে কিছু করতেও যায়, খারাপটাই ভেবে নেয় সকলে। মনে করে অন্য কোনও মতলব আছে তার। কিন্তু এই দুই প্রকার নারীর বাইরেও আরও একপ্রকার নারী আছে, যে ফ্লার্টিংকে শিল্পের পর্যায় নিয়ে গেছে। আলাপের প্রথম প্রথম এমন হাবভাব করে, যেন ভাজা মাছটা উলটেই খেতে শেখেনি। পৃথিবীর রং, রূপ, গন্ধ - সবই প্রথম দেখছে। শিহরিত হচ্ছে পলকে পলকে। সেই মেকি সারল্যের প্রেমে পড়ে পুরুষ।

তখনই অনেকটা জিতে যায় ছলনাময়ী। ক্রমে সুতো ছাড়তে শুরু করে। এই ধরনের নারী কিন্তু খুব ধীরস্থির। হড়বড় করে কথা বলে না। খুব মার্জিত চালচলন। মিষ্টি হাসিটাও ফেক। দীর্ঘদিনের হোমওয়ার্ক করে আনা। সাধারণত কমিটমেন্টে বিশ্বাস করে না। একই সময় বহুপুরুষের সঙ্গে সদ্ভাব রাখতে পারে। এমন নারী বিশ্বাসের অযোগ্য হলেও, সবাই তাকে বিশ্বাস করে নেয়। সে আসে, দেখে, জয় করে। কী করে চিনবেন এমন নারীকে, কী করে বুঝবেন তিনি ফ্লার্ট করছেন আপনার সঙ্গে। জেনে নিন -

১. লজ্জাই নারীর ভূষণ। এই ধরনের নারীরা আপাত ভদ্র হলেও তাদের মধ্যে নির্লজ্জ হাবভাব প্রকাশ পায়। পুরুষের চোখের দিকে চেয়ে থেকে এমনভাবে, যেন তার ভিতরটা পড়ে ফেলছে। নারীর ওই দৃষ্টি পুরুষের সর্বনাশের কারণ।

২. মাথার চুল নিয়ে নাড়াচাড়া করতে শুরু করে কথা বলার সময়। পুরুষকে বাধ্য করে তার রূপের দিকে নজর দিতে। ইচ্ছে করে ইঙ্গিতবাহী পোশাক পরে আসে তার সামনে। যাতে সহজেই আকৃষ্ট করতে পারে।

৩. পুরুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে প্রথমে। তারপর তার বাড়ির ব্যাপারে খোঁজ নিতে থাকে। যেহেতু এই নারীকে পুরুষ সহজেই বিশ্বাস করে নেয়, নিজের সম্পর্কে সবই তাকে বলে ফেলে। এমন নারী কিন্তু পুরুষকে ফাঁদে ফেলতে ওস্তাদ। নানাভাবে বিশ্বাস অর্জন করে, ব্ল্যাকমেইল করতেও পিছপা হয় না।

৪. নানা ছুতোয় কথা বলার সুযোগ খোঁজে এই নারী। এড়িয়ে গেলে বাড়ি চলে আসে। যেহেতু ততদিনে বাড়ির লোকের সঙ্গেও সদ্ভাব করে নেয়, তাই বাড়ির লোকের নজরেও সে বিশ্বাসযোগ্য।

৫. বারংবার দেখা করার ফাঁক খোঁজে। সেই দেখা হওয়া কিন্তু একান্তে। অন্য কাউকে ডাকে না তখন।

৬. মাঝরাতে মেসেজ করে। রাত ১টা, ২টোর সময় মাখোমাখো মেসেজ পাঠাতে থাকে।

৭. এমন নারীর সঙ্গে কখনওই মদ্যপান করা উচিত নয়। হতেই পারে অচৈতন্য মুহূর্তের সুযোগ নিয়ে পরবর্তীকালে সমস্যায় ফেলে দিল।

৮. এই নারী নানা অছিলায় যৌনতাকে নিয়ে আসে আলোচনার মধ্যে। পুরুষকে যৌনভাবে উত্তেজিত করার চেষ্টা করে। সেই উত্তেজনার বশে পুরুষ যদি মাত্রাতিরিক্ত কিছু করেও ফেলে, বিপদ কিন্তু পুরুষেরই। এই নারী কিন্তু অবলীলায় দোষ চাপিয়ে দিতে পারে পুরুষের ঘাড়ে।

অসৎ নারীদের চেনার উপায়

অসৎ নারীদের চেনার উপায়

ছলনাময়ী নারীদের চেনার উপায়

পুরুষের একটা দোষ আছে। কোনও নারী যদি তার দিকে চেয়ে একচিলতে হাসে, ধরেই নেয় কাজ হয়ে গেছে। খুশি তো ফসি। মেয়ে ইমপ্রেসড্! সহজেই রাজি হয়ে যাবে। এক-কে একশো ভেবে ফেলে সেই নির্বোধ পুরুষ। তাই নারীকে একপ্রকার বাধ্য হয়েই অতিমাত্রায় ব্যক্তিত্ব ধরে রাখতে হয় পুরুষের সামনে।

ইচ্ছে না থাকলেও জোর করে দুর্ব্যবহার করতে হয় অনেক সময়। কোনও পুরুষ যেচে আলাপ করতে এলে, এমন অ্যাটি দেখায়, যেন বাকিংহাম প্যালেসের রানি! মুখ ঘুরিয়ে চলে যায়। খারাপ কথা বলে দেয়। হাবেভাবে বোঝায়, “তোমাকে আমার চাই না”। পুরুষ পড়ে ধন্দে। মনে করে নারী খুব জটিল প্রাণী। …এবং জেনে রাখুন, এই শ্রেণির নারীর সংখ্যাই আমাদের সমাজে বেশি। ঘরে-বাইরে দীর্ঘদিনের ট্রেনিংয়ের ফলেই এই প্রকার নারীর আবির্ভাব।

আরও একটা নির্বোধ টাইপ আছে, যার কোনও ইগোফিগো নেই। যে নারী কোনও ছকে চলে না, তাকে নিয়েই যত জ্বালা। সে হাসলে পুরুষ ভেবে নেয় অনেককিছু। খেতে দিলে, শুতে চায়। এই নারী নিতান্ত সরল টাইপ। এই টাইপটাকে মানুষ সহজেই ভুল বোঝে। সে যদি ভালো মনে কিছু করতেও যায়, খারাপটাই ভেবে নেয় সকলে। মনে করে অন্য কোনও মতলব আছে তার।

কিন্তু এই দুই প্রকার নারীর বাইরেও আরও একপ্রকার নারী আছে, যে ফ্লার্টিংকে শিল্পের পর্যায় নিয়ে গেছে। আলাপের প্রথম প্রথম এমন হাবভাব করে, যেন ভাজা মাছটা উলটেই খেতে শেখেনি। পৃথিবীর রং, রূপ, গন্ধ – সবই প্রথম দেখছে। শিহরিত হচ্ছে পলকে পলকে। সেই মেকি সারল্যের প্রেমে পড়ে পুরুষ।

তখনই অনেকটা জিতে যায় ছলনাময়ী। ক্রমে সুতো ছাড়তে শুরু করে। এই ধরনের নারী কিন্তু খুব ধীরস্থির। হড়বড় করে কথা বলে না। খুব মার্জিত চালচলন। মিষ্টি হাসিটাও ফেক। দীর্ঘদিনের হোমওয়ার্ক করে আনা।সাধারণত কমিটমেন্টে বিশ্বাস করে না। একই সময় বহুপুরুষের সঙ্গে সদ্ভাব রাখতে পারে। এমন নারী বিশ্বাসের অযোগ্য হলেও, সবাই তাকে বিশ্বাস করে নেয়। সে আসে, দেখে, জয় করে। কী করে চিনবেন এমন নারীকে, কী করে বুঝবেন তিনি ফ্লার্ট করছেন আপনার সঙ্গে। জেনে নিন –

১. লজ্জাই নারীর ভূষণ। এই ধরনের নারীরা আপাত ভদ্র হলেও তাদের মধ্যে নির্লজ্জ হাবভাব প্রকাশ পায়। পুরুষের চোখের দিকে চেয়ে থেকে এমনভাবে, যেন তার ভিতরটা পড়ে ফেলছে। নারীর ওই দৃষ্টি পুরুষের সর্বনাশের কারণ।

২. মাথার চুল নিয়ে নাড়াচাড়া করতে শুরু করে কথা বলার সময়। পুরুষকে বাধ্য করে তার রূপের দিকে নজর দিতে। ইচ্ছে করে ইঙ্গিতবাহী পোশাক পরে আসে তার সামনে। যাতে সহজেই আকৃষ্ট করতে পারে।

৩. পুরুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে প্রথমে। তারপর তার বাড়ির ব্যাপারে খোঁজ নিতে থাকে। যেহেতু এই নারীকে পুরুষ সহজেই বিশ্বাস করে নেয়, নিজের সম্পর্কে সবই তাকে বলে ফেলে। এমন নারী কিন্তু পুরুষকে ফাঁদে ফেলতে ওস্তাদ। নানাভাবে বিশ্বাস অর্জন করে, ব্ল্যাকমেইল করতেও পিছপা হয় না।

৪. নানা ছুতোয় কথা বলার সুযোগ খোঁজে এই নারী। এড়িয়ে গেলে বাড়ি চলে আসে। যেহেতু ততদিনে বাড়ির লোকের সঙ্গেও সদ্ভাব করে নেয়, তাই বাড়ির লোকের নজরেও সে বিশ্বাসযোগ্য।

৫. বারংবার দেখা করার ফাঁক খোঁজে। সেই দেখা হওয়া কিন্তু একান্তে। অন্য কাউকে ডাকে না তখন।

৬. মাঝরাতে মেসেজ করে। রাত ১টা, ২টোর সময় মাখোমাখো মেসেজ পাঠাতে থাকে।

৭. এমন নারীর সঙ্গে কখনওই মদ্যপান করা উচিত নয়। হতেই পারে অচৈতন্য মুহূর্তের সুযোগ নিয়ে পরবর্তীকালে সমস্যায় ফেলে দিল।

৮. এই নারী নানা অছিলায় যৌনতাকে নিয়ে আসে আলোচনার মধ্যে। পুরুষকে যৌনভাবে উত্তেজিত করার চেষ্টা করে। সেই উত্তেজনার বশে পুরুষ যদি মাত্রাতিরিক্ত কিছু করেও ফেলে, বিপদ কিন্তু পুরুষেরই। এই নারী কিন্তু অবলীলায় দোষ চাপিয়ে দিতে পারে পুরুষের ঘাড়ে।

অধিক কামুক মেয়ে চেনার উপায় !

ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট সিন্ডি মেস্টন এবং ইভোল্যুশনারি সাইকোলজিস্ট ডেভিড বাস পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ১০০৬ জন মহিলার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তাদের যৌন অনুপ্রেরণার বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে। আর মাত্র ১০০৬ জন নারীর কাছ থেকেই বেরিয়ে এসেছে যৌনতার ২৩৭ টি আলাদা আলাদা কারণ। যদিও অনেকগুলো কারণের ব্যাপারে প্রায় সবাই একমত, আবার অনেকগুলো কারণ কয়েকজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তো দেখা যাক, কারণগুলি কী কী?

গবেষকরা নারীদের যৌন-প্রেরণাগুলিকে তিন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করেছেন- শারীরিক, আবেগ সংক্রান্ত এবং বস্তুবাদী কারণ। এই ক্যাটাগরির সাব ক্যাটাগরিতেই রয়েছে, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো, সেল্ফন স্টিমুলেশন, প্রেমিককে ধরে রাখা। তেমনই রয়েছে- জোর-জবরদস্তির শিকার হওয়া পর্যন্ত। এর মধ্যে যেমন রয়েছে সম্পূর্ণ পরোপকারী উদ্দেশ্য, তেমনই রয়েছে সম্পূর্ণ বদ মতলব। যেমন, কাউকে ভয়ানক রোগে আক্রান্ত করা।

অবভিয়াসলি! আদি অনন্তকাল ধরেই সবাই জানে “মেয়েদের যৌনতা ভালবাসা তাড়িত, আর ছেলেদের যৌনতা ইন্দ্রিয়সুখ তাড়িত”, পশ্চিমি দেশগুলি এই মিথকে উড়িয়ে দেয়। অর্ধেকেরও বেশি সংখ্যক মহিলা কোনও ধরণের রোম্যান্টিক রিলেশনশিপে না থাকা অবস্থায় শুধুই ইন্দ্রিয় সুখের জন্য সেক্স করতে আপত্তি দেখাননি। তবে কারও সঙ্গে রোম্যান্টিক রিলেশনে থাকা অবস্থায় ইন্দ্রিয় সুখের জন্য অন্য কারও সঙ্গে সেক্স করার ব্যাপারে প্রায় ৮০ শতাংস মহিলার ঘোরতর আপত্তি রয়েছে। অর্থাৎ সিঙ্গল অবস্থায় রোম্যান্সবিহীন সেক্সে অনেকেই আগ্রহী হলেও পার্টনারের সঙ্গে ‘চিটিং’কে তাঁরা সমর্থন করেন না।

এটাও অবভিয়াস। প্রেমে পড়লে আবেগতাড়িত হয়ে প্রেমলীলায় মত্ত হয়নি এরকম জুটি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।

অনেক সময়ই নিজের আবেগের চেয়ে বড় হয়ে দাড়ায় পার্টনারকে ধরে রাখার প্রচেষ্টা। পার্টনারের আবেদনে সাড়া না দিলে সে ছেড়ে চলে যেতে পারে, এই ধারণা থেকে অনেক সময়ই অনিচ্ছা সত্ত্বেও সাড়া দেন ।

অনেক মহিলাই রোম্যান্টিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও পুরুষদের আবেদনে সাড়া দেন এই উদ্দেশ্যে যে, পুরুষটির সম্পর্কে চিড় ধরিয়ে সেই পুরুষটিকে তাঁর দিকে আকর্ষিত করতে।

যৌনকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌনকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।৩. মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম যৌনকর্ম চেয়ে অনেক বেশী পছন্দ করে। বেশীর ভাগ মেয়ে গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে যৌনকর্মর চেয়ে বেশী মজা পায়।৪. মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে, মেয়েদের অর্গ্যাজমে কোন বীর্য বের হয় না।

নারীরা যৌন মিলনে আগ্রহী হলে তাঁদের ঠোঁট রক্তাভ হয়ে ওঠে। স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশি লাল হয়ে যায় ঠোঁট।

নারীদের গালেও লালিমা দেখা দেয় উত্তেজনায়। অনেক্র একটু একটু ঘামেন, নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসে।

যৌন উত্তেজিত হলে শরীর খুবই স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে। আপনার সামান্য স্পর্শেই শিহরিত হয়ে উঠবেন তিনি।

যতই লাজুক স্বভাবের নারী হোন না কেন, যৌন মিলনে আগ্রহী হলে তিনি নিজেই আপনার কাছে আসবেন। হয়তো সরাসরি কিছু না বললেও আপনার কাছে এসে বসবেন, আলতো স্পর্শ করবেন, চুমু খাবেন, চোখের ইশারায় কথা বলবেন।

প্রবল উত্তেজনার সময় যৌন মিলন কালে তিনি আপনাকে আঁচড়ে কামড়ে দেবেন। হাতের নখ আপনার শরীরে গেঁথে বসতে পারে, গলায় কানে ইত্যাদি স্থানে তিনি কামড় দেবেন উত্তেজনায়।

এছাড়াও মিলনের সময় শীৎকারে বুঝবেন যে তিনি আনন্দ পাচ্ছেন ও প্রবল ভাবে উত্তেজিত। অনেকেই জোরে আওয়াজ করেন না, কিন্তু একটা মৃদু “আহ উহ” আওয়াজ হবেই।

যদি স্ত্রী আপনার সাথে যৌন মিলনে আগ্রহ না দেখান, তাহলে হতে পারে সেটা তাঁর লজ্জার কারণে। বিষয়টি লজ্জার কারণে হলেও আপনি সেটা বুঝতে পারবেন। আপনি স্পর্শ করলে তিনি শিহরিত হবে, যোনি পিচ্ছিল হয়ে যৌন মিলনের জন্য প্রস্তুত হবে, তিনি আপনাকে বাঁধা দেবেন না মিলনে। কিন্তু একটা জিনিস মনে রাখবেন, যৌন মিলনে আগ্রহ না দেখানো এবং অনীহা প্রকাশ করা, দুটি কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাপার।

ঠোঁট দেখে নারীর ব্যক্তিত্ব চেনার উপায়!

নারীর ঠোঁটের গড়ন দেখেই তাদের ব্যক্তিত্ব চেনা যায়, বোঝা যায় তাদের মানসিকতা। বিষয়টি পুরোপুরি ধারণানির্ভর হলেও একেবারে অযৌক্তিক বা উড়িয়ে দেবার বিষয় নয়।

সম্প্রতি, এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দাবী করেছেন নারীদের ঠোঁট দেখে তাদের ব্যক্তিত্ব, মানসিকতা, মন-মেজাজ ইত্যাদি ভালোভাবে চেনা যায়। তারা বলছেন, নারীদের ঠোঁট দেখে শতভাগ চেনা না গেলেও অন্তত তাদের ব্যক্তিত্ব কেমন সেইটুকু বোঝা যায়।

আসুন জেনে নেয়া যাক কোন ঠোঁটের নারী কেমন হয়-

যে নারীর ঠোঁটের আকার হৃদয়ের মতো, তিনি খুব সেক্সুয়াল ও কনফিডেন্ট।

যদি ওপরের ঠোঁট নীচের ঠোঁটকে কভার করে, তাহলে সেই নারীর স্বভাব এবং বিচার-বিবেচনা খুব ভালো।

যে নারীর নীচের ঠোঁট মোটা, তিনি অনেক ভালোবাসা পেয়ে থাকেন। এ ঠোঁটের নারীরা কাউকে যত না ভালোবাসেন, তার চেয়ে বেশি ভালোবাসা পান।

শুকনো ঠোঁট হলে, সেই নারী খুব পরিশ্রমী হন। তারা নিজেকে নিয়ে বেশি ভাবনা-চিন্তা করেন না।

যাদের ঠোঁট মোটা, তারা খুব কঠিন স্বভাবের হন।

নীচের ঠোঁট বাইরের দিকে বেরিয়ে থাকলে সেই নারী ঠোঁটকাটা স্বভাবের হন।

প্রতারক মেয়েদের চেনার উপায়

প্রতারক মেয়েদের চেনার উপায়

মানুষ প্রতারণা করে থাকে সাধারণত কোন স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে কিংবা কারো ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে। স্বার্থ বলতে অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্বার্থ, মান-মর্যাদা ও প্রতিপত্তি লাভের স্বার্থ কিংবা ক্ষমতা লাভের স্বার্থ। আর কারো ক্ষতি করার উদ্দেশ্য বা প্রতিহিংসাটা ব্যক্তিগত স্বার্থহানির জন্যও হতে পারে; আবার ধর্মীয়, জাতিগত বা রাজনৈতিক কারণেও হতে পারে। তবে যে উদ্দেশ্যেই হোক না কেন, প্রতারকদের কিছু কমন আচরণগত আলামত ও বৈশিষ্ট্য থাকে; যা চেনা থাকলে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, আর্থিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় যেকোন পর্যায়েই প্রতারণা থেকে বেঁচে থাকা যাবে। ফলে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে অর্থ হারানো থেকেও বাঁচা যাবে, দ্বীন হারানো থেকেও বাঁচা যাবে, কারো প্ররোচনায় কোন নিরপরাধ আপনজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে পরে অনুতপ্ত হওয়ার আশংকা থেকেও নিরাপদ থাকা যাবে এবং সর্বোপরি নিজের ও পরিবারের শরীর ও জীবনের ক্ষতিও এড়ানো যাবে।

(১) বেশি কথা বলা
(২) নিজের সততা ও সত্যবাদিতা জাহির করা
(৩) বেশি বেশি শপথ করা
(৪) অস্পষ্ট ও দ্ব্যর্থবোধক কথাবার্তা
(৫) নিজের দু:খের কথা বলে মানুষের কাছে সহানুভূতি আদায় করা
(৬) অন্যের দু:খে হা-হুতাশ ও বিলাপ জুড়ে কৃত্রিম সহানুভূতি প্রকাশ করা
(৭) উদ্দেশ্যমূলক প্রচারণা ও মনগড়া ফতোয়া প্রদান
(৬) উদ্দেশ্য প্রকাশে মিথ্যাচার
(৭) মনগড়া তত্ত্বের প্রচার
(৮) সত্য গোপন ও সত্যের বিপরীত তথ্য প্রকাশ
(৯) মন্দ কাজে ভাল উদ্দেশ্য দাবি করা
(৮) দ্বিমুখী ভূমিকা ও আচরণ
(৭) নিজের সন্তানের চেয়ে অন্যদের কিংবা বাচ্চাদের চেয়ে বড়দের প্রতি বেশি দরদী হওয়া
(৮) স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে ইচ্ছাকৃতভাবে একেক সময় একেক রকম আচরণ করা
(৯) সামনে ও পিছনে দুই রকম হওয়া
(৯) মানুষের উপকারের চেয়ে মানুষকে পটানোর কাজে বেশি মনোযোগী হওয়া
(১০) উপকারের বিনিময়ে থাকার ও ঘাঁটি গাড়ার সুযোগ অন্বেষণ করা অথবা কোন স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদী সুবিধা আদায় করা
(১১) বার বার ক্ষমা চাওয়া
(১২) বিশ্বাসের ব্লাকমেইল
(১২) মানুষের অক্ষমতার সুযোগ নিয়ে দোষারোপ করা
(১২) পরিবারের ক্ষেত্রে কর্তাব্যক্তিদের সাথে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা
(১৩) মানবসৃষ্ট দুর্যোগকে আল্লাহর ইচ্ছা বলে হালকা করার প্রবণতা

ভদ্র মেয়ে চেনার উপায়

ভদ্র মেয়ে চেনার উপায়

১] যে সব মেয়ে সাধারণত খুব আস্তে কথা বলে । কথা বলার সময় অঙ্গ ভঙ্গি করে না । .

২ ] সরাসরি পরপুরুষের চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলবে না । খুব ধীর পায়ে এবং মাথা নিচু করে হাটে । .

৩] পোশাকে খুবই শালীনতা বজায় রাখবে যতটুকু সম্ভব পর্দায় থাকার চেষ্টা করবে। .

৪] ভদ্র মেয়েরা সাধারণত আত্ম কেন্দ্রিক হয়। তারা বেশী ভাগ ঘরে থাকতে ভালোবাসে। .

৫] টি ভি সিরিয়াল দেখার চেয়ে এরা কবিতা লেখা অথবা বই পড়তে ভালোবাসে । .

৬] ভদ্র মেয়েরা সাধারণত রাগি হয় । একবার রেগে গেলে রাগ ভাঙাতে বেগ পেতে হয় । .

৭] কখনোই তারা প্রেমে জড়াবে না । পরিবারের সম্মানটা তারা বড় করে দেখে। আর যদি কখনো জড়িয়ে যায় তবে মনে প্রাণে সেই সম্পর্ক টা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করে। .

৮] ফেসবুক টুইটার বা অন্য কোন মাধ্যমে তারা ছবি আপলোড দিবে না এমনকি অতি ঘনিষ্ঠ জনদেরকে ছবি দিতে অপরগতা প্রকাশ করবে। .

৯] তাদের হিংসা তেমন থাকে না । গিবত করা বা শোনা এরা মোটেও পছন্দ করে না .

১০] ভদ্র মেয়েরা রান্নায় খুব পাকা হয় ।
সব সময় ঘরে অবস্থান করার ফলে মায়ের
বা ভাবিদের কাছ থেকে রান্নার বিষয় বস্তু গুলো খুব ভালো ভাবেই শিখে নেয় । .

১১] ভদ্র মেয়েদের বন্ধু বান্ধব হাতে
গোনা কয়েকজন । আড্ডা হই হল্লোর পার্টি
জন্মদিন এরা মোটেই পছন্দ করে না .

১২] ভদ্র মেয়েরা সাধারণত তর্কে জড়ায় না। অশ্লীল কথা বার্তা এবং অভদ্র আচরণ থেকে এরা সবসময় দূরে থাকে ।

মেয়েদের সম্পর্কে ভুল ধারণা

মেয়েদের সম্পর্কে ভুল ধারণা

সব পুরুষই মনে করেন যে নারীকে তিনি সম্পূর্ণ বুঝে ফেলেছেন। বিশেষ করে নিজের প্রেমিকা ও স্ত্রী সম্পর্কে প্রত্যেক পুরুষই এমন কিছু ধারণা মনে পুষে রাখেন যা একান্তই ভুল। এই ব্যাপার গুলো নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তো হয়ই, অনেকে অযথাই মেয়েদের ছোট করেন। কিন্তু সত্য কথাটা এই যে, নারীর মন বোঝা এত সহজ কোন বিষয় নয়! চলুন জেনে নিই এমন কিছু বিষয়, মেয়েদের ব্যাপারে যা প্রত্যেক পুরুষই ভুল জানেন ও ভাবেন।

১) কোন মেয়ে সুন্দর করে কথা বললেই পুরুষেরা ধরে নেন যে মেয়েটি তার সাথে প্রেম করতে আগ্রহী। এর চাইতে ভুল ধারণা আর হতেই পারে না। মেয়েরা কিন্তু খুব অপছন্দের মানুষের সাথেই দারুণ ভদ্র আচরণ করতে জানেন।

২) মেয়েদের বিরুদ্ধে দুর্নাম আছে যে তাঁরা বাড়াবাড়ি ইমোশোনাল। পুরুষেরা ভুলে যায় যে সকলের আবেগ প্রকাশের ধরণ এক হয় না। মেয়েদের আবেগ প্রকাশ পুরুষের চাইতে ভিন্ন বলেই তাঁকে নিয়ে ঠাট্টা করার কিছু নেই।

৩) একজন আত্মবিশ্বাসী ও মেজাজি স্বভাবের নারীকে সব পুরুষই “খারাপ” মনে করেন। পুরুষ আত্ম বিশ্বাসী ও মেজাজী হলে যদি খারাপ না হয়, নারী কেন হবে?

৪) নিজের কর্মক্ষেত্রে দারুণ সফল মেয়েদের খেতে বেশিরভাগ পুরুষ মনে করেন যে মেয়েটি সৌন্দর্য দেখিয়ে উপরে উঠেছেন। অথচ পুরুষেরা জানেনও না যে মেয়েদের অনেক বেশী পরিশ্রম করতে হয় পুরুষের সমান সফলতা অর্জন করতে।

৫) মেয়েরাও যে গেমার বা গ্রেম প্রিয় মানুষ হতে পারেন, এটা কোন পুরুষ মানতেই চান না। তাঁরা মনে করেন মেয়েটি এসব তার মন পেতে করছে বা শো অফ করছে।

৬) পুরুষেরা ভাবেন যে সব মেয়েরই প্রথম আগ্রহ শাড়ি, গহনা ও সাজগোজের প্রতি। এবং সব মেয়ে কেবল এটা নিয়েই থাকেন।

৭) মেয়েরা সাজলেই মনে করা হয় যে সেটা পুরুষদের দেখানোর জন্য। এটা আরও ভীষণ ভুল ধারণা। মেয়েরা সাধারণত নিজের জন্যই সাজেন।

৮) সম্পর্কে কমিটমেনট চাইলেই পুরুষেরা মনে করেন যে মেয়েটি এক্ষুনি বিয়ে করতে চায়। সম্পর্কে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া আর বিয়ের মাঝে যে আকাশ পাতাল পার্থক্য এটা পুরুষেরা বোঝেন না।

৯) সকল পুরুষই মনে করেন যে মেয়েরা বিয়ের জন্য মুখিয়ে থাকে। সব মেয়ের কাছেই বিয়েটাই জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য!

১০) আকর্ষণীয় পোশাক পরে কোন পুরুষের সামনে গেলেই তিনি ধরে নেন যে মেয়েটি যৌন মিলনে আগ্রহী!

১১) প্রেমিক বা স্বামীকে সময় না দিয়ে নিজের বন্ধুদের সাথে সময় কাটালে পুরুষেরা ধরেই নেন যে মেয়েটি উড়নচণ্ডী।

১২) ভালো চাকরি করলে বা খুব বিদুষী হলে মেয়েরা সংসারী হয় না, এটাও পুরুষদের মাঝে অনেককাল যাবত রয়ে যাওয়া ভুল ধারণা।

১৩) একজন নারীর অনেক বন্ধু থাকলে বেশিরভাগ পুরুষই তাঁকে চরিত্রহীন ধরে নেন।

১৪) নিজের চাইতে সফল সকল নারীকেই পুরুষেরা “খারাপ” অভিহিত করেন। এটা কেবলই আসলে পুরুষদের বাজে ইগোর প্রভাব।

১৫) কারো সন্তান বা বিয়ের আংটি বা এমন কোন কিছুর প্রশংসা করলেই প্রেমিক পুরুষ ধরে নেন যে প্রেমিকা তাঁকে কোন সিগনাল দিতে চাইছে।

১৬) “ক্যারিয়ার গুছিয়ে বিয়ে করবো”- নারীরা যদি এই কথা বলেন তো পুরুষ ধরেই নেন যে মেয়েটি তাঁকে ভালোবাসে না ও তাঁকে বিয়ে করতে আগ্রহী নয়।

১৭) মেয়েরা রোগা হতে চায় কেবল “সেক্সি” হওয়ার জন্য, এটাও অধিকাংশ পুরুষের ভুল ধারণা।

১৮) বেশিরভাগ পুরুষই মনে করেন যে নারীদের জীবন কেবল পুরুষের আশেপাশে, পুরুষের চিন্তা করতে করতেই কেটে যায়।